জ্বালানি সঙ্কটে সরকারের কাছে জরুরি সহায়তা চেয়েছে বিটিএ

প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২৬
https://techvoice24.com/assets/images/logoIcon/logo.png টেকভয়েস২৪ রিপোর্ট
https://techvoice24.com/assets/images/logoIcon/logo.png
  ছবি: সংগৃহীত

টেলিযোগাযোগ খাতকে জরুরী সেবার আওতায় এনে বিশেষ জ্বালানি বরাদ্দের দাবি জানিয়েছে টেলিকম টাওয়ার কোম্পানির সম্মিলিত সংগঠন ‘বাংলাদেশ টাওয়ারকো অ্যাসোসিয়েশন’ (বিটিএ)। 

নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে ও জাতীয় পর্যায়ে বড় ধরনের বিপর্যয় এড়াতে দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে শঙ্কা প্রকাশ করেছে সংগঠনটি।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে এক আলোচনায় বিষয়টি তুলে ধরে বিটিএ।  ২১ এপ্রিল, মঙ্গলবার, সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নির্বিঘ্ন টেলিযোগাযোগ সেবা নিশ্চিত করতে  বিশেষ জ্বালানি বরাদ্দকরণের পাশাপাশি বর্তমান অবস্থা পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছে।

এ ব্যাপারে উদ্বেগ জানিয়ে বিটিএ’র অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি এবং ইডটকো বাংলাদেশের কান্ট্রি ম্যানেজিং ডিরেক্টর সুনীল আইজ্যাক বলেন, ‘বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ সেবা এখন মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে আছে। নিরবচ্ছিন্ন সেবা নিশ্চিত করতে হলে এ খাত যেকোনো মূল্যে সচল রাখা প্রয়োজন, আর তাই গুরুত্বপূর্ণ এ অবকাঠামোকে জরুরী সেবার আওতায় এনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন’।

তিনি আরও বলেন, ‘ছোট-বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে ব্যাংক, আইটিসহ সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো ডিজিটাল সংযোগের ওপর অত্যন্ত নির্ভরশীল। সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে ক্ষতির সম্মুখীন হবে প্রতিটি সেক্টর। তাই ঝুঁকি এড়াতে করণীয় ও চলমান সংকটের বাস্তবিক সমাধান নিশ্চিত করা প্রয়োজন। আর সে কারণেই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে জ্বালানি বরাদ্দকরণের পাশাপাশি নীতিগত সহায়তা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমরা কাজ শুরু করেছি’।

সূত্রমতে, সারাদেশে ৪৫ হাজারেরও বেশী টেলিকম টাওয়ার রয়েছে, যা বিদ্যুৎ গ্রিড ও জ্বালানি নির্ভর ব্যাকআপ ব্যবস্থার (জেনারেটর) ওপর নির্ভর করে সচল থাকে। ফলে চলমান জ্বালানি সংকট এখন সরাসরি প্রভাব ফেলছে এ খাতে। জ্বালানি ঘাটতির কারণে নিরবচ্ছিন্ন সেবা ব্যাহত হয়ে সংযোগে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটতে পারে, ফলে ভোগান্তিতে পড়তে পারেন কোটি গ্রাহক।

ডিজিটাল অর্থনীতিতে প্রধান চালিকাশক্তি টেলিযোগাযোগ উল্লেখ করে সংগঠনটি জানায়, সংযোগে বিঘ্ন ঘটলে এর প্রভাব আর্থিক লেনদেন, রপ্তানি সমন্বয় থেকে শুরু করে জরুরি যোগাযোগ ও জনসেবাসহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খাতেই পড়বে। সময়মতো পদক্ষেপ না নিলে দেশ ভয়াবহ আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকিতে পড়তে পারে। তাই এ দুর্যোগ এড়াতে নীতি সহায়তার পাশাপাশি যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যাপারেও সরকারকে তাগাদা দেয় সংগঠনটি।

image

আপনার মতামত দিন